jeta9 থেকে একটা ফিটনেস অ্যাপ নামিয়ে আমার জীবনটাই বদলে গেল!
· অফিসিয়াল
এক গৃহিণীর ফিটনেস যাত্রা: jeta9-এর অ্যাপে নতুন জীবন
আরে বাবা, কী বলব! আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছিল না যে এত ব্যস্ততার মাঝেও আমি নিজের জন্য কিছু করতে পারব। সারা দিন সংসার, রান্না, বাচ্চাদের পেছনে ছোটাছুটি – সব মিলিয়ে নিজের শরীরের দিকে তাকানোর সময়ই পেতাম না। আয়নায় যখন নিজেকে দেখতাম, তখন আফসোস হতো। ভাবতাম, ইস্, যদি একটু ব্যায়াম করার সময় পেতাম, যদি একটু সুস্থ থাকতে পারতাম!
কয়েক মাস আগের কথা। আমার এক বান্ধবী, যে কিনা নিজেও একজন ব্যস্ত মা, আমাকে jeta9 প্ল্যাটফর্ম থেকে একটা ফিটনেস অ্যাপ ডাউনলোড করার পরামর্শ দিল। প্রথমে তো হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলাম – ‘অ্যাপ দিয়ে আবার ফিটনেস হয় নাকি? জিম যাওয়া তো দূর, হাঁটারও সময় পাই না!’ কিন্তু সে ছাড়ার পাত্রী নয়, অনেক বোঝানোর পর শেষমেশ jeta9 থেকে একটা জনপ্রিয় ফিটনেস অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেললাম। আর এটাই ছিল আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট!
শুরুটা ছিল ধীর, কিন্তু উষ্ণ
- প্রথম পদক্ষেপ: অ্যাপটা ইন্সটল করার পর দেখলাম, এতে খুব সহজ কিছু ব্যায়াম রুটিন আছে, যেগুলো ঘরে বসেই করা যায়। ভারী কিছু নয়, মাত্র ১৫-২০ মিনিটের সেশন।
- জল পান ট্র্যাকিং: সবচেয়ে ভালো লেগেছে জলের হিসাব রাখার ফিচারটা। আগে দিনে হয়তো এক গ্লাস জল খেতাম, এখন অ্যাপের রিমাইন্ডার দেখে দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করি।
পরিবর্তন আসা শুরু করল
প্রথম প্রথম একটু আলসেমি লাগত, কিন্তু যখন দেখলাম অ্যাপে আমার অগ্রগতি রেকর্ড হচ্ছে, তখন উৎসাহ বাড়তে শুরু করল। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই শরীরে একটা হালকা ভাব অনুভব করলাম। সিঁড়ি ভাঙতে আর হাঁপিয়ে উঠি না। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময়ও বেশ চনমনে লাগে!
আমার বাচ্চারাও এখন আমার সাথে ব্যায়াম করতে বসে যায়। ছোট ছোট স্ট্রেচিং বা হালকা লাফ-ঝাঁপ ওদেরও বেশ পছন্দ। পুরো পরিবার মিলে একটা সুস্থ জীবনযাত্রার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, ভাবতেই ভালো লাগে। এটা শুধু ওজন কমানোর বিষয় নয়, এটা হলো নিজেকে ভালোবাসার, নিজের যত্ন নেওয়ার একটা নতুন উপায়। jeta9 থেকে পাওয়া এই ছোট্ট অ্যাপটা আমার জীবনে যে এত বড় পরিবর্তন আনবে, তা আমি কখনো ভাবিনি। সত্যি বলতে, আমার জীবনটাই যেন নতুন করে শুরু হয়েছে!